Skip to main content

কাস্টমস ও মূসক আইনে প্রত্যায়িত প্রতিলিপি প্রদানঃ


প্রশ্নঃ কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান আপীল বা অন্য কোন উদ্দেশ্যে যদি কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের নথিপত্র এর কোন আদেশ ও রিলেটেড দলিলপত্রের কপি চায় তা দেওয়া যাবে কিনা? আলোচনাঃ উদাহরণস্বরুপ আমদানিকৃত কোন একটি চালান কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আটক, পরবর্তীতে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে পাশাপাশি কর্তৃপক্ষ মানে যিনি বাজেয়াপ্ত করেছেন তিনি তাকে আবার পরবর্তী কর্তৃপক্ষের নিকট আপীল করার সুযোগ রেখেছেন, ফলে স্বভাবতই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কর্তৃপক্ষের ঐ আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়ে আপীল করার জন্য তার আদেশ ছাড়াও আরো অতিরিক্ত কিছু দলিলপত্রের কপি দরকার ফলে তিনি আবেদন করেছেন বা একি ভাবে মূসক আইন অনুযায়ী মূসক কর্তৃপক্ষের নিকট কোন দলিলপত্রের অনুলিপি পাওয়ার আবেদন করলে যা করনীয় তা হলোঃ (ক) কাস্টমস আইনের হলেঃ দি কাস্টমস আইন ১৯৬৯ এর সেকশন ২০৪ অনুযায়ী সহকারী কমিশনারের নিম্নে নহে এমন কোন কাস্টমস কর্মকর্তা যদি এইমর্মে সন্তষ্ট হন যে, আবেদনকারী কোনরুপ প্রতারণা করেন নাই বা তার প্রতারণা করার কোন উদ্দেশ্যেও/ইচ্ছে নাই তাহা হলে সেই ব্যক্তিকে বোর্ড দলিলপত্র সরবরাহ করার জন্য যেমন ফি পরিশোধ করার জন্য নির্ধারণ করে সেইরূপ ফি পরিশোধ করলে উক্ত কর্মকর্তার ইচ্ছার বিবেচনায় কাস্টমস দলিলপত্র, সার্টিফিকেট, আদেশ নির্দেশ এর অনুলিপি সরবরাহ করা যাইবে। (ক) মূসক আইনের হলেঃ মূসক আইন ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ এর সেকশন ১৩২ ও মূসক আইন ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা ২০১৬ এর বিধি ১১৫ অনুযায়ী কোন করদাতা ফর্ম "মূসক ১৮.২" এ কমিশনার বা কমিশনার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট নিম্নে বর্নিত হারে ফি ট্রেজারী চালান বা অনলাইনে জমা প্রদান করে আবেদন করলে তাকে দলিলপত্রের প্রতিলিপি প্রত্যয়ন পূর্বক সরবরাহ করা যাইবে। (ক) চাহিদাকৃত দলিলাদি সংখ্যা ৫ পৃষ্ঠা বা তাহার কম হলে ১০০ টাকা ট্রেজারী চালানে বা অনলাইনে জমা প্রদান করতে হবে; (খ) চাহিদাকৃত দলিলাদি সংখ্যা ৫ পৃষ্ঠার বেশি হলে প্রথম ৫ পৃষ্ঠার জন্য ১০০ টাকা পরবর্তী প্রতি পৃষ্ঠার জন্য ১০ টাকা হারে ট্রেজারী চালানে বা অনলাইনে জমা প্রদান করতে হবে; যেই ব্যক্তি দলিলপত্র সরবরাহ করার জন্য উক্তরুপ হারে ফি পরিশোধ করলে কাস্টমস ও মূসক আইন অনুযায়ী দলিলপত্র, সার্টিফিকেট, আদেশ নির্দেশ এর অনুলিপি সরবরাহ করা যাইবে।

Comments

Popular posts from this blog

INCOME TAX OFFICE LOCATIONS ZONE ADDRESS

Taxes Zone – 1  8, Sarika Tower, Topkhana Road, Segun Bagicha, Dhaka Taxes Zone – 2  5, Circuit House Road, Kakrail, Dhaka Taxes Zone – 3 Ayesha Manjil, 35, Pioneer Road, Kakrail, Dhaka Taxes Zone – 4 164/Ka, Shahid Syed Nazrul Islam Sharani, Dhaka Taxes Zone – 5 28/F, Shegun Bagicha, Dhaka Taxes Zone – 6 209/A-B, Shahid Syed Nazrul Islam Sarani, Purana Paltan, Dhaka Taxes Zone – 7 9, Topkhana Road, Segun Bagicha, Dhaka Taxes Zone – 8 12/1, Bijoy Nagar, Dhaka Taxes Zone – 9 House #32, Garib-e-Nawaz Avenue, Sector- 10, Uttara Dhaka Taxes Zone – 10 40, Segun Bagicha, Dhaka 1205 Taxes Zone – 11 9, Topkhana Road, Segun Bagicha, Dhaka Taxes Zone – 12 Madina Tower, 3/4, Purana Paltan, Dhaka Taxes Zone – 13 Chowdhury Complex, 15, Purana Paltan,  Dhaka Taxes Zone – 14 Al Tarik Tower 12/1, Bijoy Nagar Road, Dhaka Taxes Zone – 15 Ridge Ahmed Square,50/1, Inner Circular (VIP) Road, Naya Paltan, Dhaka 1000 Md. Shaharul Islam Tax Advisor https://www.youtube.com/@taxlawyerbd5496/about ...

এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যবসা করার জন্য লাইসেন্স করার নিয়ম কি? কোথা থেকে লাইসেন্স করতে হয় ?

  যারা দেশে এক্সপোর্ট এন্ড ইমপোর্ট অথবা আমদানি ও রপ্তানি ব্যবসা করতে আগ্রহী তাদের জন্য আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন। আপনারা যদি কেউ মনে করেন দেশে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি কিংবা রপ্তানি করবেন কিন্তু কিভাবে আমদানি ও রপ্তানি সার্টিফিকেট বানাতে হয় জানেন না তারা বিস্তারিত জেনে নিন -  আমাদের দেশে আমদানি এবং রপ্তানি এই দুই কাজের জন্য সরকার বিশেষ দুই লাইসেন্স দিয়ে থাকে এক্ষেত্রে আপনি দেশে আমদানি এবং রপ্তানি যোগ্য যেকোনো পণ্য যেকোনো পরিমাণে আনতে বা বাইরে পাঠাতে পারবেন। আর এই লাইসেন্স করার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অনেক স্বচ্ছ এবং নিরাপদ। নিচে বিস্তারিত দেয়া হলো। আমদানি নিবন্ধন সনদপত্র ও রপ্তানি নিবন্ধন সনদপত্র জারির জন্য আপনার যা যা লাগবে- ১) ট্রেড লাইসেন্স; ২) চেম্বার অথবা স্বীকৃত ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের বৈধ সদস্যতা সনদপত্র; ৩) টিআইএন; ৪) ব্যাংক প্রত্যায়ন পত্র; ৫) লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার, জয়েন্ট স্টক কোম্পানী কর্তৃক অনুমোদিত সংঘ স্মারক ও সংঘবিধি এবং সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন। উপরের সব কাগজ পত্র যদি আপনার করা থাকে তবে তা নিয়ে আপন...

আয়কর কমাতে কোথায় বিনিয়োগ করবেন !!

  মোট ৯টি খাতে বিনিয়োগ করলে আপনি কর রেয়াত পাবেন। কর রেয়াত নিতে সাধারণ করদাতাদের জন্য সবচেয়ে সহজ বিকল্প হলো সঞ্চয়পত্র। সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করে আপনিও নিতে পারবেন কর রেয়াত। এ ছাড়া শেয়ারবাজারে টাকা খাটিয়েও কর রেয়াত পাওয়া যাবে। শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার কিনলেও তা বিনিয়োগ হিসেবে ধরবেন কর কর্মকর্তারা। মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করেও একই সুবিধা মিলবে। অনেকে ডিপোজিট পেনশন স্কিম বা ডিপিএস করেন। প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিপিএস করলে অর্থাৎ বছরে ৬০ হাজার পর্যন্ত টাকা রাখলেও কর রেয়াতের জন্য বিবেচিত হবে। এর মানে, ডিপিএস করাও একধরনের বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হচ্ছে। এ ছাড়া আরও ছয়টি খাত আছে, যেখানে আপনি বিনিয়োগ করলে কর ছাড় পাবেন। এ খাতগুলো হলো—জীবনবিমার প্রিমিয়াম; সরকারি কর্মকর্তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে চাঁদা; স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিলে নিয়োগকর্তা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাঁদা; কল্যাণ তহবিল ও গোষ্ঠী বিমার তহবিলে চাঁদা; সরকার অনুমোদিত ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ এবং সুপার এনুয়েশন ফান্ডে চাঁদা। যেকোনো জায়গায় দান করলে কর কমবে—এটা ভাববেন না। মোটাদাগে ১৩টি খাতে দান করলে কর রেয়াত পাওয়া যাবে। এগুলো হলো জাতির...