Skip to main content

একজন ক্ষুদ্র আমদানীকারক পন্য আমদানী করতে ঋনপত্র বা LC কিভাবে খুলবেন? এলসি খুলতে কোথায় যাবেন? সেখানে কি কি দলিলাদি দাখিল করবেন?



(১) প্রথমে আমদানীকারক যে কোন তফসিলি ব্যাংকে কারেন্ট একাউন্ট খুলবেন,  তিনি যে পন্য আমদানী করবেন তার ঐ পন্য আমদানীর জন্য চলতি হিসেবে এলসি ভ্যালু পরিশোধে  পর্যাপ্ত অরথ থাকবে।প্রথম প্রথম আপনি এলসি মূল্যের শতভাগ পেমেন্ট করলেও দীর্ঘদিন আপনি ঐ ব্যাংকের সাথে ব্যবসা বানিজ্য করলে তখন লেনদেনে ব্যাংক আপনার উপর আস্তা বা বিস্বাস করলে আপনাকে ৩০-৪০% মার্জিনে এলসি খুলে দিতে পারে।মানে আপনার নিকট ৩০/৪০ হাজার টাকা জমা দিলেই ব্যাংক আপনাকে ১ লাখ টাকার পন্য আমদানীর জন্য এলসি খুলে দিতে পারে। বিষয়টি পুরো আপনি ও ব্যাংকের পারস্পরিক বিষয়।

(২) এবার আপনি আপনি আপনার একাউন্টধারী ব্যাংকের ইম্পোট ক্যাশ সেকশনে যেতে হবে।ব্যাংক আপনার কাছে যে সকল তথ্য চাইবেন ও ফরম ফিল আপ করে দিতে বলবেন।

(ক) ইম্পোট ফরম;

(খ) LCA Application form;

(গ) যে পন্য আমদানী করবেন তার Pro-forma Invoice, প্রফরমা ইনভয়েসে পন্যের কমার্শিয়াল ডেসস্ক্রিপশন,  সিএন্ডএফ ভ্যালু,  ফ্রেইট আলাদা থাকতে হবে। এখানে উল্লেখ্য যে ফ্রেইট আলাদা না থাকলে পন্যের মূল্যের চেয়ে বেশি ফ্রেইট দেখিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীগনের মানি লন্ডারিং এর সুযোগ থেকে যায়। 

(৩) আমদানীকারক পন্যের পোট অফ লোডিং, ফুল শীপমেন্ট, পারশিয়াল শীপমেন্ট ঘোষনা দেবেন।

(৪) শীপমেন্ট সী/এয়ার ঘোষনা দেবেন।

(৫) পন্য সরবরাহের সময় বেধে দেবেন।

(৬) আমদানী নীতি আদেশ অনুযায়ী অন্যান্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা যা আছে তা নেবার ঘোষনা দেবেন।

(৭) অন্যন্য প্রাসঙ্গিক দলিলাদি যা ব্যাংক চাইবে

(ক) আই আর সি,  ট্রেড সনদ, TIN, VAT সনদ ; এর সাথে লিমিটেড কোম্পানি হলে আরো দেবেন ;

(খ) সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেটেড, মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেল, শিডিউল ১০ ও ১২, রেজুলেশন অব বোড অফ ডিরেক্টর, পন্য রাখার গোডাউন সংক্রান্ত তথ্য।

উপরে উল্লিখিত তথ্য ও দলিলাদি দেয়া হলে ব্যাংক আপনার পন্য আমদানীর নিমিত্তে ঋনপত্র খুলে দেবেন।

Comments

Popular posts from this blog

INCOME TAX OFFICE LOCATIONS ZONE ADDRESS

Taxes Zone – 1  8, Sarika Tower, Topkhana Road, Segun Bagicha, Dhaka Taxes Zone – 2  5, Circuit House Road, Kakrail, Dhaka Taxes Zone – 3 Ayesha Manjil, 35, Pioneer Road, Kakrail, Dhaka Taxes Zone – 4 164/Ka, Shahid Syed Nazrul Islam Sharani, Dhaka Taxes Zone – 5 28/F, Shegun Bagicha, Dhaka Taxes Zone – 6 209/A-B, Shahid Syed Nazrul Islam Sarani, Purana Paltan, Dhaka Taxes Zone – 7 9, Topkhana Road, Segun Bagicha, Dhaka Taxes Zone – 8 12/1, Bijoy Nagar, Dhaka Taxes Zone – 9 House #32, Garib-e-Nawaz Avenue, Sector- 10, Uttara Dhaka Taxes Zone – 10 40, Segun Bagicha, Dhaka 1205 Taxes Zone – 11 9, Topkhana Road, Segun Bagicha, Dhaka Taxes Zone – 12 Madina Tower, 3/4, Purana Paltan, Dhaka Taxes Zone – 13 Chowdhury Complex, 15, Purana Paltan,  Dhaka Taxes Zone – 14 Al Tarik Tower 12/1, Bijoy Nagar Road, Dhaka Taxes Zone – 15 Ridge Ahmed Square,50/1, Inner Circular (VIP) Road, Naya Paltan, Dhaka 1000 Md. Shaharul Islam Tax Advisor https://www.youtube.com/@taxlawyerbd5496/about ...

এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যবসা করার জন্য লাইসেন্স করার নিয়ম কি? কোথা থেকে লাইসেন্স করতে হয় ?

  যারা দেশে এক্সপোর্ট এন্ড ইমপোর্ট অথবা আমদানি ও রপ্তানি ব্যবসা করতে আগ্রহী তাদের জন্য আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন। আপনারা যদি কেউ মনে করেন দেশে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি কিংবা রপ্তানি করবেন কিন্তু কিভাবে আমদানি ও রপ্তানি সার্টিফিকেট বানাতে হয় জানেন না তারা বিস্তারিত জেনে নিন -  আমাদের দেশে আমদানি এবং রপ্তানি এই দুই কাজের জন্য সরকার বিশেষ দুই লাইসেন্স দিয়ে থাকে এক্ষেত্রে আপনি দেশে আমদানি এবং রপ্তানি যোগ্য যেকোনো পণ্য যেকোনো পরিমাণে আনতে বা বাইরে পাঠাতে পারবেন। আর এই লাইসেন্স করার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অনেক স্বচ্ছ এবং নিরাপদ। নিচে বিস্তারিত দেয়া হলো। আমদানি নিবন্ধন সনদপত্র ও রপ্তানি নিবন্ধন সনদপত্র জারির জন্য আপনার যা যা লাগবে- ১) ট্রেড লাইসেন্স; ২) চেম্বার অথবা স্বীকৃত ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের বৈধ সদস্যতা সনদপত্র; ৩) টিআইএন; ৪) ব্যাংক প্রত্যায়ন পত্র; ৫) লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার, জয়েন্ট স্টক কোম্পানী কর্তৃক অনুমোদিত সংঘ স্মারক ও সংঘবিধি এবং সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন। উপরের সব কাগজ পত্র যদি আপনার করা থাকে তবে তা নিয়ে আপন...

আয়কর কমাতে কোথায় বিনিয়োগ করবেন !!

  মোট ৯টি খাতে বিনিয়োগ করলে আপনি কর রেয়াত পাবেন। কর রেয়াত নিতে সাধারণ করদাতাদের জন্য সবচেয়ে সহজ বিকল্প হলো সঞ্চয়পত্র। সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করে আপনিও নিতে পারবেন কর রেয়াত। এ ছাড়া শেয়ারবাজারে টাকা খাটিয়েও কর রেয়াত পাওয়া যাবে। শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার কিনলেও তা বিনিয়োগ হিসেবে ধরবেন কর কর্মকর্তারা। মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করেও একই সুবিধা মিলবে। অনেকে ডিপোজিট পেনশন স্কিম বা ডিপিএস করেন। প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিপিএস করলে অর্থাৎ বছরে ৬০ হাজার পর্যন্ত টাকা রাখলেও কর রেয়াতের জন্য বিবেচিত হবে। এর মানে, ডিপিএস করাও একধরনের বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হচ্ছে। এ ছাড়া আরও ছয়টি খাত আছে, যেখানে আপনি বিনিয়োগ করলে কর ছাড় পাবেন। এ খাতগুলো হলো—জীবনবিমার প্রিমিয়াম; সরকারি কর্মকর্তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে চাঁদা; স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিলে নিয়োগকর্তা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাঁদা; কল্যাণ তহবিল ও গোষ্ঠী বিমার তহবিলে চাঁদা; সরকার অনুমোদিত ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ এবং সুপার এনুয়েশন ফান্ডে চাঁদা। যেকোনো জায়গায় দান করলে কর কমবে—এটা ভাববেন না। মোটাদাগে ১৩টি খাতে দান করলে কর রেয়াত পাওয়া যাবে। এগুলো হলো জাতির...